মেনু নির্বাচন করুন

বালিয়া জ্বীনের মসজিদ

মসজিদের গায়ে খোদাই করা সন অনুসারে মসজিদটি নির্মিত হয় ১৩১৭ বঙ্গাব্দে মানে ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ। মুঘল স্থাপত্যের রীতি অনুযায়ী ডিজাইনকৃত এই মসজিদটি নির্মানের কাজ শুরু করেন জমিদার মেহের বকস চৌধুরী।

 

দিল্লির আগ্রা মতান্তরে মুর্শিদাবাদ থেকে আনা স্থপতি দিয়ে কাজটি শুরু হলেও হঠাৎ প্রধান স্থপতির মৃত্যুর ফলে মসজিদ নির্মাণের কাজ থেমে যায়। মেহের বকস স্থানীয় কারিগরের সহায়তায় পুনরায় মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু করেন কিন্তু স্থানীয় কারিগরগণ মসজিদের গম্বুজ নির্মাণে ব্যথ হন। ১৯১০ সালে মেহের বকস চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেন।

 

মেহের বকসের ছোট ভাই কয়েক বছর পর মসজিদটি নির্মাণের জন্য আবারও উদ্যেগ নেন। কিন্তু নির্মাণ কাজ সমাপ্ত না করে তিনিও মৃত্যু বরণ করেন। ফলে মসজিদটি ১০০ বছর গম্বুজ ছাড়াই দাড়িয়েঁ থাকে। অবশেষে মেহের বকস চৌধূরী প্রোপৌত্র তসরিফা খাতুনের পৃষ্ঠপোষকাতায় ও প্রত্নতত্ব ইনস্টিটিউটের কারিগরী সহায়তায় ২০১০ সালে বালিয়া মসজিদটির সংস্কার কাজ শুরু হয়। একই সাথে আর্কিটেক্ট সৈয়দ আবু সুফিয়ান কুশল এর নকশায় নতুন ভাবে গম্বজ নির্মাণ করা হয়।

 

জ্বীনের মসজিদ নামকরণের কারণ:

কোন এক অমাবস্যার রাতে জ্বীন-পরীরা এই এলাকার উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় এলাকাটি পছন্দ করে। তারপর তারা মাটিতে নেমে এসে মসজিদ নির্মাণের ফলে মসজিদ নির্মাণের কাজ থেমে যায়। মেহের বকস স্থানীয় কারিগরের সহায়তায় পুনরায় মসজিদ নির্মাণের কাজ শরু করেন। কিন্তু স্থানীয় কারিগরগণ মসজিদের গম্বুজ নির্মাণে ব্যর্থ হন। ১৯১০ সালে মেহের বকস চৌধুরী মৃত্যু বরণ করেন।

 

মেহের বকসের ছোট ভাই কয়েক বছর পর মসজিদটি নির্মাণেরজন্য আবারও উদ্যোগ নেন। কিন্তু নির্মাণ কাজ সমাপ্ত না করে তিনিও মৃত্যু বরণ করেন। ফলে মসজিদটি ১০০ বছর গম্বুজ ছাড়াই দায়িয়ে থাকে। অবশেষে মেহের বকস চৌধুরী প্রোপৌত্রি তসরিফা খাতুনের পৃষ্ঠপোষকতায় ও প্রত্নতত্ত্ব ইনস্টিটিউটের কারিগরী সহায়তায় ২০১০ সালে বালিয়া মসজিদটির সংস্কার কাজ শুরু হয়। একই সাথে আর্কিটেস্ট সৈয়দ আবু সুফিয়ান কুশল এর নকশায় নতুন ভাবে গম্বুজ নির্মাণ কাজ হয়।

 

জ্বীনের মসজিদ নামকরণের কারণ:

কোন এক অমাবস্যার রাতে জ্বীন-পরীরা এই এলাকার উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় এলাকাটি পছন্দ করে। তারপর তারা মাটিতে নেমে এসে মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু করে, কিন্তু গম্বুজ তৈরির আগেই ভোর হয়ে যাওয়াতে কাজ অসমান্ত রেখে চলে যায়। ফলে গম্বুজ ছাড়া দাড়িয়েঁ থাকে অসাধারণ কারুকার্যময় মসজিদটি। জ্বীন-পরীরা এটি তৈরি করেছে, এইজন্য স্থানীয়দের কাছে এটি জ্বীনের মসজিদ নামে পরিচিত।

 

শতাব্দীর প্রাচীর মসজিদের প্রতিক্রিয়া সঠিক ছিল যখন এটি পরিচিত হয় না। তবে স্থানীয় লোকজন বলে যে এই মসজিদটি ১৫০ থেকে ২00 বছর বয়সী। মসজিদ টি ২003 সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। কিন্তু অর্থের অভাবের কারণে মসজিদ সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। এর পরে 2010 সালে, মৎস্য সমাজতান্ত্রিক ফিরোজ হাসান এর ব্যক্তিগত উদ্যোগে 2010 সালে মসজিদ সংস্কার করা হয়েছিল। তবে মসজিদটির পুনর্নবীকরণ করা হলে মসজিদটি একটি পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠবে।

কিভাবে যাওয়া যায়:

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা থেকে উত্তর-পূর্বের ভল্লী বাজার নামে একটি মসজিদ রয়েছে, ছোট বালিয়ার জায়গায় শাঠবন্দি দেয়াল নামে পরিচিত। এই মসজিদে যাওয়া, আপনি ভিকটিম বাজার থেকে রিকশা, ভ্যান বা নাসিমান যেতে পারেন। ঠাকুরগাঁও সদরের এই মসজিদটির দূরত্ব 17 কিলোমিটার মিটার ।


Share with :

Facebook Twitter